বৃহঃস্পতিবার, ২১শে মে ২০২৬, ৭ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

অনলাইন জুয়ায় সর্বস্ব হারিয়ে যুবকের দুধ দিয়ে তওবার গোসল

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১০ মে ২০২৫, ১৩:০৪

অনলাইনভিত্তিক জুয়ার ফাঁদে পড়ে এক সময়ের স্বচ্ছল জীবন হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন কুষ্টিয়ার কুমারখালীর যুবক সাগর হোসেন। সর্বনাশা জুয়া থেকে ফিরে এসে জনসম্মুখে তওবা জানানোর অংশ হিসেবে দুধ দিয়ে গোসল করে অনুশোচনার নজির সৃষ্টি করেছেন তিনি। শুক্রবার (৯ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার পান্টি ইউনিয়নের গোলাবাড়ি বাজার এলাকায় ঘটে এ ঘটনা। মুহূর্তেই তার “তওবার গোসল” ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

সাগর হোসেন পান্টি এলাকার মো. চাঁদ আলীর ছেলে। মাত্র পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেও তিনি গড়ে তুলেছিলেন মোটরসাইকেলের শোরুম ও আধাপাকা বিলাসবহুল বাড়ি। মাসে ৪০-৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় হতো তার। কিন্তু ‘ওয়ান এক্স বেট’ ও ‘গ্লোরি ক্যাসিনো’ নামের মোবাইলভিত্তিক জুয়া খেলতে গিয়ে মাত্র এক বছরের ব্যবধানে সব হারান।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, উৎসুক জনতার সামনে মাথায় দুধ ঢালছেন স্থানীয়রা। সাগর বলেন, “জুয়া খেলতে গিয়ে সব হারিয়েছি। আমার মোটরসাইকেলের শোরুম ছিল, সখের বাড়ি করেছিলাম। আজ কিছুই নেই। আপনারা শিক্ষা নিন। কেউ যেন এই পথ না নেয়।”

তিনি জানান, বাড়ি ২১ লাখ টাকায়, শোরুম ১৫ লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন; তবুও এখনো সাড়ে তিন লাখ টাকা দেনায় আছেন। এক পর্যায়ে আত্মহত্যার চেষ্টাও করেন, তবে তিন মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে সরে আসেন সেই সিদ্ধান্ত থেকে।

তার স্ত্রী কনা খাতুন বলেন, “জুয়ায় পড়ে সব হারিয়েছি। সরকার যদি এসব অনলাইন জুয়া বন্ধে ব্যবস্থা না নেয়, আরও অনেক পরিবার ধ্বংস হবে।”

স্থানীয় দোকানি রাসেল হোসেন বলেন, “সাগর একসময় গাড়িতে চলতেন। আজ তিনি নিঃস্ব। তাই আমরা ১০ কেজি দুধ দিয়ে তার তওবার গোসল করিয়েছি।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম জানান, অনলাইন জুয়া সংক্রান্ত বিষয়ে এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর