বৃহঃস্পতিবার, ২১শে মে ২০২৬, ৭ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

ড্রেনের ময়লা পানিতে মাছ চাষ, বিক্রি হচ্ছে হোটেল রেস্তোরাঁয়

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৪ আগষ্ট ২০২৫, ১৪:০৪

ঢাকার নিকুঞ্জ এলাকায় অবৈধভাগে গড়ে উঠেছে এক মৎস খামার, যেখানে ড্রেনের ময়লা ও মুরগির নাড়িভুড়ি দিয়ে মাছ চাষ হচ্ছে। মাছ চাষের স্থানটি এতটাই দুর্গন্ধযুক্ত ও দূষিত যে, সেখানে মানুষ সাধারণত দাঁড়িয়েই থাকতে পারে না। ময়লা আর গন্ধে দূষিত পরিবেশে গড়ে উঠেনি কোনো টং দোকানও। কিন্তু এখানে চাষ করা মাছই পাইকারি বাজারের মাধ্যমে বিভিন্ন রেস্তোরাঁ ও ভোক্তাদের প্লেটে চলে যাচ্ছে!

মৎস খামারে কর্মরতদের তথ্যানুযায়ী, রেলের জায়গা দখল করে এই মৎস খামার পরিচালনা করছেন জুয়েল নামের একজন।

অবৈধভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তিনি। তবে খামারের বিষয়ে কোনো তথ্য বা মন্তব্য করতে রাজি হননি জুয়েল।

তবে সেখানে কর্মরত একজন জানান মাছ চাষের বিষয়ে। মাছের খাবার কোথা থেকে আনা হয়, সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘এগুলা মুরগির দোকান থেকে আনি।

মুরগির ভুড়ি, চামড়া, আবার গলার ভিতরে খাবার গুলো থাকে, সেগুলো। এসব পাইকারি দিয়ে যায় আমাদের।

এদিকে স্থানীয়রা বলছেন, মাছের নামে ময়লা খাচ্ছে মানুষ। মাছ ময়লা খাচ্ছে, এই কারণে তো বেশি রোগ জীবানু ছড়াচ্ছে মানুষের মাঝে।

কেউ কেউ বলছেন, এখানে কিছু মাগুর মাছ চাষ হয় যা কোনোভাবেই খাওয়া উচিত না। এটা খাওয়ার একদম উপযোগী নয়। এমনকী খামারের কর্মচারীও জানালেন, তিনি নিজে এ মাঝ কখনো পাতে তুলেননি।

২০২৩ সালে মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আইন অধিশাখা থেকে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দেশে আফ্রিকান মাগুর আমদানি, প্রজনন, চাষ, বহন, বাজারজাত ও বিক্রি সর্বপর্যায়ে নিষিদ্ধ। তবে মৎস অধিদপ্তরের নীরবতায় এভাবেই খোদ ঢাকায় ড্রেনের ময়লা আর মুরগির নাড়ি ভুড়ি খেয়ে বেড়ে উঠা মাছই চলে যাচ্ছে আমিষভুজি মানুষের প্লেটে।

জনস্বাস্থ্য রক্ষায় নীরবতা ভেঙে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো উদ্যোগ নিবে এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের।

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর